বিশেষ প্রতিনিধি, চাঁদপুর:
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে জ্বালানি গ্যাসের সংকট। গৃহস্থালি রান্নাবান্না থেকে শুরু করে সিএনজিচালিত যানবাহন চালানো—সবক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষ ও চালকেরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের ফলে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এই চলমান সংকট প্রসঙ্গে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে চাঁদপুরের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার নেতা মো. মজিবুর রহমান বলেন,
”হাজীগঞ্জে জ্বালানি গ্যাস সংকট দিন দিন বেড়েই চলছে। একদিকে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে, অন্যদিকে বাসাবাড়ি ও সিএনজি পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রশাসনের দ্রুত বাজার মনিটরিং ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।”
সংকটের চিত্র ও জনদুর্ভোগ:
এলপিজি সিলিন্ডার সংকট ও বাড়তি দাম: বাজারের অধিকাংশ দোকানে সিলিন্ডার সংকট দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যানবাহন চলাচলে স্থবিরতা:
হাজীগঞ্জের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। ফলে নিয়মিত সড়কে গাড়ি চালাতে না পেরে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
গৃহস্থালিতে ভোগান্তি: রান্নাবান্নার কাজে গ্যাসের সরবরাহ বা এলপিজি মেলানো কঠিন হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন গৃহিণীরা। বাধ্য হয়ে অনেকে বিকল্প জ্বালানি বা বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন।
প্রশাসনের প্রতি দাবি:
মানবাধিকার নেতৃবৃন্দ ও এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে জ্বালানি পাম্প ও সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে তদারকি জোরদার করতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিয়ে হাজীগঞ্জে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
